বিজ্ঞপ্তি:
Welcome To Our Website...
সংবাদ শিরোনাম :
অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ আদর্শবান দেশপ্রেমিক গড়তে ইশা ছাত্র আন্দোলনের বিকল্প নেই বরিশালে কারাবন্দিদের মাঝে টিভি, সেলাই মেশিনসহ অন্যান্য উপকরণ বিতরণ কলাপাড়ায় বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী দিদার উদ্দিন আহমেদ আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার লালমোহনে পাওনা টাকা ফেরত পেতে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন মোল্লার মৃত্যুতে বরিশাল সিটি মেয়রের শোক ঝালকাঠি পৌরসভার সাবেক মেয়রের ছেলের মৃত্যুতে বরিশাল সিটি মেয়রের শোক ৪০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ এইচএসসি’র ফল: শিক্ষা বোর্ডগুলোকে ক্ষমতা দিয়ে গেজেট প্রকাশ সমালোচকদেরও ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
চরমোনাই মাহফিল উপলক্ষে বরিশালের বেলতলা খেয়াঘাটে অসহনীয় ভাড়া বৃদ্ধি

চরমোনাই মাহফিল উপলক্ষে বরিশালের বেলতলা খেয়াঘাটে অসহনীয় ভাড়া বৃদ্ধি

শামীম আহমেদ ॥ বরিশালের ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই মাহফিল এলেই যেন চাদাবাজির মিলনায়তনে রূপ নেয় নগরীর ৫নং ওয়ার্ডের বেলতলা খেয়াঘাট। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের জন্য যাত্রীদের হয়রানির পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রী নিয়েও খেয়া পার হওয়ার অভিযোগের শেষ নেই। ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই মাহফিল প্রাঙ্গণে যাতায়াতের অন্যতম পথ হিসেবে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে বেলতলা খেয়াঘাটকে। তিনদিন ব্যাপি মাহফিলে আগত কয়েক লক্ষ যাত্রী ও হাজার হাজার মটর সাইকেল পারাপারে ৫-৬ গুন ভাড়া বৃদ্ধির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ক্ষোভের অন্ত নেই ভুক্তভোগী যাত্রীদের। তবে ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও এ ব্যাপারে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।

এখানে অনিয়মই যেন নিয়ম। বরিশাল মহানগর আ’লীগের সাবেক শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুলের নাম ভাঙ্গিয়ে মোখলেস নামক এক ব্যাক্তি এই অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে বলে জানিয়েছেন পারাপার রত যাত্রীরা। প্রত্যেক যাত্রীর থেকে ৫-৬ গুন বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী যাত্রীরা। এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে এক যাত্রী জানিয়েছেন, “চরমোনাই মাহফিল বাংলাদেশের মুসলমানদের একটি অন্যতম ঐতিহ্য। এই মাহফিলকে পুঁজি করে দুর-দুরন্ত থেকে আগত যাত্রীদেরকে এভাবে হয়রানি করছে কিছু অসাধু চক্র।

বিচার চাওয়ার মত এখানে কেউ নেই। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দরকার”। কেউ কেউ এই বাড়তি ভাড়াকে সরাসরি চাঁদাবাজি বলে দাবি করছেন। তিনদিন ব্যাপি মাহফিলে আগত কয়েক লক্ষ যাত্রী ও হাজার হাজার মটর সাইকেল পারাপারের অন্যতম এই স্থানটি এখন যেন চাদাবাজির বানিজ্যে মুখরিত। এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য স্থানীয় ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ কেফায়েত হোসেন রনিকে একাধিক বার ফোন করলেও রিসিব হয়নি।

এদিকে একাধিক বার চেষ্টা করেও চাদাবাজ মোখলেসের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ দেয়ার মত কেউ না থাকায় দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দরকার বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

Please Share This Post in Your Social Media




কারিগরি সহায়তা: AMS IT BD