বিজ্ঞপ্তি:
দৈনিক শাহনামার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। জাতীয়, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন সহ সকল সংবাদের সর্বশেষ আপডেট জানতে ভিজিট করুন www.shahnamabd.com
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল মুক্ত দিবসে জেলা আওয়ামী লীগের পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ দন্ডপ্রাপ্তকে বিদেশ নেয়ার কথা বলা দ্বৈত নীতি: প্রধানমন্ত্রী ফোর্বসের প্রভাবশালী নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা বরিশালে শের-ই-বাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নব-নির্মিত শহীদ মিনার এর উদ্বোধন ব‌রিশাল বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ে শীতকা‌লিন ছু‌টি বা‌তিল বরিশাল মুক্ত দিবসে ১শ’ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ৮ ডিসেম্বর বরিশাল মুক্ত দিবস উপলক্ষে ওয়াপদা কলোনী বধ্যভূমি স্মৃতি ৭১ এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশাল সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজন চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  বরিশালে শিক্ষার্থীদের জেলা প্রশাসক দপ্তর ঘেড়াও সহ আন্দোলন অব্যাহত দু’পক্ষের দ্বন্ধের জেরে আমতলী বিআরটিসি বাস কাউন্টার বন্ধ, যাত্রী ভোগান্তি চরমে

আদালতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ঝর্ণার

আদালতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ঝর্ণার

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণা নারায়ণগঞ্জ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বুধবার বেলা সোয়া ১২টায় মামুনুল হককে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে তোলা হয়৷ আদালতে মামলার বাদী সাক্ষ্য দেন৷ এসময় বাদী ঝর্ণাকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন আসামীপক্ষের আইনজীবী। সাক্ষ্যগ্রহণের শুরুতে আদালত ঝর্ণার মুখের হিজাব খুলতে বলেন।

এ সময় মামুনুল হক উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, শরিয়তের হুকুম, হিজাব খুলবে না ঝর্ণা।

তবে ঝর্ণা একবার হিজাব খুলে বিচারককে মুখ দেখিয়ে ফের হিজাব দিয়ে মুখ ডেকে রাখেন। জেরা চলার সময় ঝর্ণার দিকে বারবার তাকাচ্ছিলেন মামুনুল হক।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বেলা ২টার দিকে মামুনুল হককে কাশিমপুর কারাগার পাঠানো হয়। এর আগে সকাল ৯টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে কঠোর নিরাপত্তায় তাকে আদালতে আনা হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) রকিবুদ্দিন আহমেদ বলেন, আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন মামলার বাদী৷ তিনি নিজেই ঘটনার ভিকটিম৷ আসামির দাবি ভিকটিম তার স্ত্রী৷ এই প্রসঙ্গেই বাদীকে পরে জেরা করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী৷ তবে বাদী বলেছেন, তিনি মামুনুল হককে বিয়ে করেননি৷ বিয়ের প্রলোভনে তাকে গত ২রা এপ্রিল সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে ধর্ষণ করেন মামুনুল হক৷ এর আগেও একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করেছেন আসামি।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ মো. জয়নুল আবেদীন মেসবাহ বলেন, বাদী জান্নাত আরা ঝর্ণা মেডিক্যাল টেস্টে বলেছেন তিনি মামুনুল হকের কালেমা পড়া স্ত্রী। মামুনুল হকের সঙ্গে তিনি ঢাকা থেকে এসেছেন। তাদের অনেকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। কিন্তু এ ঘটনায় তিনি কোথাও মামলা কিংবা জিডি করেননি। কারও কাছে বলেননি। ধর্ষণ একবার দুইবার হতে পারে। কিন্তু অসংখ্যবার হয় না। সেক্ষেত্রে আমি আশা করি আমরা সফলতা পাবো।

প্রসঙ্গত, গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে ওই রিসোর্টে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে ব্যাপক ভাঙচুর করে মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গাড়ি ভাঙচুর, মহাসড়কে আগুন দিয়ে বিক্ষোভ, আওয়ামী লীগ কার্যালয়, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতার বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এক সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি ও সাংবাদিক বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এর কিছুদিন পর স্থানীয়রা আরও তিনটি মামলা করেন। ছয়টি মামলার মধ্যে তিনটি মামলায় প্রধান আসামি মামুনুল হক।

গত ৩০শে এপ্রিল বিয়ের প্রলোভনে দুই বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগ এনে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় মামলা করেন ওই নারী। তবে মামুনুল হক তাকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন।

Please Share This Post in Your Social Media




All rights reserved by Daily Shahnama
কারিগরি সহায়তা: Next Tech