বিজ্ঞপ্তি:
Welcome To Our Website...
সংবাদ শিরোনাম :

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৬৩৫
৩৫
৫২১
১২,৪৮৬
সর্বমোট
৬৩,০২৬
৮৪৬
১৩,৩২৫
৩৮৪,৮৫১
জেনে নিন খেলোয়াড়রা কে কত বেতন পান

জেনে নিন খেলোয়াড়রা কে কত বেতন পান

স্পোর্টস ডেস্ক:

১৭ ক্রিকেটারকে কেন্দ্রীয় চুক্তির অন্তর্ভুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চুক্তিতে সর্বোচ্চ বেতনের স্তরে রয়েছেন তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকার।

চারজনই আছেন এ প্লাস ক্যাটাগরিতে। তবে ‘লাল বল’ ও ‘সাদা বল’ দুই চুক্তিতেই রয়েছেন তামিম-মুশফিক। আর মাহমুদউল্লাহ-সৌম্য আছেন শুধু ’সাদা বলের’ চুক্তিতে। সর্বোচ্চ বেতন স্তরে থাকার কারণে তারা মাসে বেতন পাবেন চার লাখ টাকা করে।

এর আগে বিসিবি যে তালিকা প্রকাশ করে, সেখানে সৌম্যর নাম ছিল না। পরে বোর্ডের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানান, ব্যাটিং অলরাউন্ডারের নাম ভুলে বাদ দেয়া হয়েছিল।

এ ক্যাটাগরিতে আছেন শুধু মমিনুল হক। তিনি মাসে পাবেন ৩ লাখ টাকা। কেবল ‘লাল বলের’ চুক্তিতে রয়েছেন পয়েট অব ডায়নামো।

বি ক্যাটাগরিতে আছেন লিটন কুমার দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাইজুল ইসলাম। তবে তাইজুল সাদা বলের চুক্তিতে রয়েছেন ডি ক্যাটাগরিতে। এ চারজন ক্রিকেটারের প্রতিজন প্রতি মাসে পাবেন দুই লাখ টাকা করে।

সি ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা প্রতি মাসে পাবেন দেড় লাখ টাকা করে। এ ক্যাটাগরিতে আছেন ‘সাদা বলের’ চুক্তিতে থাকা মোহাম্মদ মিঠুন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

ডি ক্যাটাগরিতে আছেন ‘সাদা বলের’ চুক্তিতে থাকা নাইম শেখ, আফিফ হোসেন ধ্রুব ও নাজমুল হোসেন শান্ত। আর লাল বলের চুক্তিতে থাকা নাইম হাসান, এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ রাহী ও মোহাম্মদ মিথুন।

এর মধ্যে লাল ও সাদা বল উভয় ক্ষেত্রেই ডি ক্যাটাগরিতে আছেন শান্ত। এ ক্যাটাগরির সবাই মাসে এক লাখ টাকা করে বেতন পাবেন।

চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। তিনি নিজেই বিসিবির কাছে অনুরোধ করেন এবারের চুক্তিতে নাম না রাখার জন্য। আরও বাদ পড়েছেন সাকিব আল হাসান। জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় সব ধরনের ক্রিকেটে বর্তমানে নিষিদ্ধ রয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া ইমরুল কায়েস, আবু হায়দার রনি, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, রুবেল হোসেন ও সাদমান ইসলাম চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন। চুক্তিতে জায়গা করে নিয়েছেন সৌম্য, শান্ত, মিঠুন, এবাদত, আফিফ ও নাইম।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে সব ক্রিকেটারের ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়। টেস্ট সংস্করণে প্রতি ম্যাচে একজন ক্রিকেটার এখন থেকে পাবেন ছয় লাখ টাকা করে। অতীতে যা ছিল তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা।

বেড়েছে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ম্যাচ ফি। ওয়ানডেতে এর আগে ম্যাচ ফি ছিল দুই লাখ টাকা করে। তবে এখন থেকে ক্রিকেটাররা পাবেন তিন লাখ টাকা করে।

টি-টোয়েন্টিতে ২০১৭ সাল থেকে ক্রিকেটাররা পেতেন এক লাখ ২৫ হাজার টাকা করে। এখন থেকে পাবেন দুই লাখ টাকা করে। তবে এ অর্থ গ্রেড অনুযায়ী পাবেন ক্রিকেটাররা।

আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ ক্রিকেটে যে পয়েন্ট সিস্টেম, সেটির ভিত্তিতে ক্রিকেটারদের বেতন বাড়তে পারে।

ম্যাচ রেটিংয়ের হিসাব মতে, তামিম ২০১৯ সালে ৬ লাখ ৩০ হাজার এবং মুশফিক ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা বেতনও পেয়েছেন প্রতি মাসে।

বিভিন্ন সময়ে ক্রিকেটারদের আন্দোলন

বেতনভাতা ও সুযোগ-সুবিধার দাবি নিয়ে ক্রিকেটাররা নানা সময়ে আন্দোলন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটারদের আন্দোলন। ২০১৭ সালে তাদের সঙ্গে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ)বিরোধ দেখা যায়।

যেখানে ওয়ার্নার-স্মিথরা বেতনের পাশাপাশি বোর্ডের রাজস্ব আয়ের ভাগ চান। পরবর্তী সময় সমঝোতায় স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দুই পক্ষ একমত হয়। এরপর থেকে বোর্ডের আয়ের ভাগও পান অজি ক্রিকেটাররা।

সেই আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল নারী ক্রিকেটারদেরও পুরুষদের সমান সুযোগ-সুবিধা দেয়া। পরে সিএ তাদের বোর্ড কমিটিতে অন্তত পাঁচজন নারীর অন্তর্ভুক্তি এবং নারী ক্রিকেটারদের বেতনভাতা বৃদ্ধি করে।

২০১৯ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও একই ধরনের ধর্মঘটের ডাক দেন। পরে তাদের দাবি-দাওয়া মেনে নেয় বোর্ড। ফলে বেতনভাতাদি বাড়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




কারিগরি সহায়তা: AMS IT BD