বিজ্ঞপ্তি:
দৈনিক শাহনামার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। জাতীয়, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন সহ সকল সংবাদের সর্বশেষ আপডেট জানতে ভিজিট করুন www.shahnamabd.com
সংবাদ শিরোনাম :
লালমোহনে ইউপি চেয়ারম্যান মুরাদের বিরুদ্ধে জুতা-ঝাড়ু মিছিল শিক্ষা জাতীয়করনের দাবীতে আগামীকাল  শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের মানববন্ধন শেখ হাসিনা সারা দেশের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগের ব্যবস্থা করেন – এমপি শাওন  ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতের কাছে ছারছীনা দরবার শরীফের পক্ষে আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব আবুল কালামের ইন্তেকাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষা শুরু বরিশালে কারাবন্দিদের নতুন জীবনের সূচনায় কারাফটকে ভ্যান ও সেলাই মেশিন বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার আমতলীতে নির্বাচন পরবর্তী সংহিসতায় আহত ৮ তালতলীতে ছেলে হত্যায় ঘাতক বাবার বিরুদ্ধে মামলা বরিশালে নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ভ্যানচালকের পরিবারকে সহায়তা প্রদান
কলাপাড়ায় অবৈধভাবে ঘাট তৈরি করে টোল আদায়

কলাপাড়ায় অবৈধভাবে ঘাট তৈরি করে টোল আদায়

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর লালুয়া-মধুপাড়া খেয়ঘাট থাকা স্বত্তেও ধোলাই বাজার নামকস্থানে অবৈধ ভাবে খেয়াঘাট তৈরী করে টোল আদায় করছে একটি প্রভাবশালী মহল। অবৈধ এ টোল আদায়ের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্থানীয় জাহিদুল ইসলাম একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরপ্রেক্ষিতে ধানখালী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. হামিদুল হক বাচ্চুকে সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল কররেছেন।

দাখিলকৃত প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায়, সরকারী ইজারাকৃত উত্তর লালুয়া-মধুপাড়া নামক খেয়াঘাট দিয়ে পণ্য পারাপার না করে নিকটবর্তী ধোলাই বাজার নামক স্থানে নিজেদের তৈরী খেঁয়াঘাট দিয়ে মালামাল পারাপার করা হয়। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ এই খেয়াঘাট পরিচালনা করছেন এলাকার প্রভাবশালী আতাহার তালুকদার ও বাদল হাওলাদারসহ বেশ কয়েকজন। এভাবে অবৈধ ঘাট তৈরী করে টোল আদায়ের ফলে ভবিষ্যতে সরকারের নিকট থেকে কেউ উত্তর লালুয়া-মধুপাড়ার খেয়াঘাট ইজারা নিতে কেউ আগ্রহী হবেন না। ফলে সরকার তার নির্দিষ্ট রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত আতাহার তালুকদার বলেন, আমার রেকর্ডীয় জমিতে ঘাট তৈরি করে মালামাল পারাপারা করি। সরকারি ভাবে কোন অনুমতি নেয়নি। পায়রা বন্দর কৃর্তপক্ষের কাছে মালামাল পারাপারের জন্য লিখিত দরখাস্ত দিয়েছি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, আমি তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছি। শীঘ্রই আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media




All rights reserved by Daily Shahnama
কারিগরি সহায়তা: Next Tech